১১ বছর বয়সী এক মাদরাসাছাত্রীকে নাতনি ডেকে ধর্ষণের অভিযোগে আইয়ুব আলী (৬৫) নামের এক বৃদ্ধকে হাতেনাতে আটক করে পিটিয়ে পুলিশে দিয়েছেন স্থানীয় জনতা।
বুধবার (২৪ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কুড়িগ্রামের রাজারহাটে উপজেলার নাজিমখান ইউনিয়নের তেলিপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আটককৃত আইয়ুব আলী ওই ইউনিয়নের তেলিপাড়া গ্রামের নছরউদ্দিনের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী শিশুটি স্থানীয় একটি মাদরাসার ছাত্রী। মাদরাসায় যাওয়া-আসার পথে আইয়ুব আলী তার সঙ্গে নানা-নাতনির সম্পর্ক গড়ে তোলেন। বুধবার সকালে বাড়ি ফাঁকা থাকার সুযোগে কৌশলে শিশুটিকে নিজের ঘরে ডেকে নিয়ে যায় ওই বৃদ্ধ। একপর্যায়ে সে শিশুটিকে ধর্ষণ করেন। এ সময় শিশুটির চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং আইয়ুব আলীকে হাতেনাতে আটক করেন।
এ ঘটনার পর এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। উত্তেজিত জনতা অভিযুক্ত বৃদ্ধকে ধোলাই দেয়। পরে খবর পেয়ে রাজারহাট থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে স্থানীয়রা আইয়ুব আলীকে তাদের হাতে সোপর্দ করেন।
এদিকে ঘটনাটি মুহূর্তের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়রা এ জঘন্য অপরাধের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
রাজারহাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মামনুর রশিদ বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্তকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে এসেছে। এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
বুধবার (২৪ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কুড়িগ্রামের রাজারহাটে উপজেলার নাজিমখান ইউনিয়নের তেলিপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আটককৃত আইয়ুব আলী ওই ইউনিয়নের তেলিপাড়া গ্রামের নছরউদ্দিনের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী শিশুটি স্থানীয় একটি মাদরাসার ছাত্রী। মাদরাসায় যাওয়া-আসার পথে আইয়ুব আলী তার সঙ্গে নানা-নাতনির সম্পর্ক গড়ে তোলেন। বুধবার সকালে বাড়ি ফাঁকা থাকার সুযোগে কৌশলে শিশুটিকে নিজের ঘরে ডেকে নিয়ে যায় ওই বৃদ্ধ। একপর্যায়ে সে শিশুটিকে ধর্ষণ করেন। এ সময় শিশুটির চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং আইয়ুব আলীকে হাতেনাতে আটক করেন।
এ ঘটনার পর এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। উত্তেজিত জনতা অভিযুক্ত বৃদ্ধকে ধোলাই দেয়। পরে খবর পেয়ে রাজারহাট থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে স্থানীয়রা আইয়ুব আলীকে তাদের হাতে সোপর্দ করেন।
এদিকে ঘটনাটি মুহূর্তের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়রা এ জঘন্য অপরাধের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
রাজারহাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মামনুর রশিদ বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্তকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে এসেছে। এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
অনলাইন ডেস্ক